কেন এবং কিভাবে আপনার ডাটা ক্লাউড স্টোরেজ এ সংরক্ষন করবেন

admin

Administrator
Staff member
Jul 14, 2020
50
6
8
cloud backup.jpg
গত ৩১ মার্চ বিশ্বজুড়ে পালিত হয়ে গেলো World Backup Day। কিন্তু মূল কথা কথা হচ্ছে কেন Backup এতো গুরুত্বপূর্ণ ? কল্পনা করুনতো দুর্ঘটনাবশত আপনার প্রিয় ফোনটার উপর চা পড়লো অথবা কোথাও ঘুরতে গিয়ে হারিয়ে ফেললেন আপনার ফোনটি! আপ টু ডেট ক্লাউড ব্যাকআপ থাকার ফলে ফোন চুরি বা নষ্ট হওয়ার পরও আপনি এতটুকু নিশ্চিত থাকতে পারেন যে যাই ঘটুক না কেন আপনার ফোনের সাথে আপনি যে কোনও জায়গা থেকে আপনার প্রয়োজনীয় ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারবেন।

যদিও আপনি আপনার ফোনের ডেটার লোকাল ব্যাকআপ নিতে পারেন বা আপনার সমস্ত ফটোগুলি সিঙ্ক করে রাখতে পারেন তবে ভালো বুদ্ধি হচ্ছে লোকাল ব্যাকআপ এর পাশাপাশি ক্লাউডের ব্যাকআপও নিয়ে রাখাটা।

কিন্তু প্রশ্ন হলো কেনই বা আমাকে ক্লাউড ব্যাকআপ নিতেই হবে ? ধরুন ফোন হারিয়ে বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর আপনি নতুন মোবাইল ব্যবহার শুরু করলেন! কিন্তু আপনার প্রয়োজনীয় পুরোনো সব ডাটা তো আগের ফোনে! কিভাবে সহজে ট্রান্সফার করে নিয়ে আসবেন এই ফোনে কোনো বাড়তি ঝামেলা ছাড়া? উত্তর খুবই সহজ। ক্লাউড ব্যাকআপ থাকলে শুধুমাত্র ক্লাউড একাউন্ট এ লগইন করে আপনি আপনার পুরোনো সব কিছুর এক্সেস পেয়ে যেতে পারেন খুবই সহজে।

তাছাড়া, সব সময় হার্ড ড্রাইভ ক্র্যাশ করার একটা ঝুঁকিতো থেকেই যায়। প্রয়োজনীয় ডাটা হারিয়ে বিপাকে পড়া মানুষের সংখ্যা নেহায়েতই কম নয়। এক্ষেত্রে ক্লাউড ব্যাকআপ একটি আদর্শ যুগপোযুগী সিদ্ধান্ত। তাই এখনই সময় ক্লাউডে নিজের ব্যক্তিগত ডাটাসেন্টার তৈরির।

কিভাবে আপনার ব্যক্তিগত Google অ্যাকাউন্টে ব্যাকআপ নিবেন
আপনার নতুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি সেটআপ করার সময় আপনি প্রথমে যা করেন তা হল আপনার একটি Google অ্যাকাউন্ট ফোনে যুক্ত করেন। আপনি যদি নিজের অ্যাকাউন্টটিতে সাইন-ইন করে থাকেন তবে অ্যান্ড্রয়েড আপনার ফোন সেটিংসকে ব্যাকআপ করবে এবং ডিফল্টরূপে আপনার সেভ করা ফোন নাম্বার, বুকমার্কস, পাসওয়ার্ড এবং আরও অনেক কিছুর জন্য সিঙ্ক্রোনাইজেশন এর ব্যবস্থা করে নেবে। আপনি যদি আপনার ব্যক্তিগত কম্পিউটারে একই গুগল একাউন্টটি ব্যবহার করেন এবং সাথে সাথে ক্রোমকে প্রধান ব্রাউজার হিসাবে ব্যবহার করেন তবে আপনি আপনার ফোনে সর্বশেষে আপনার সমস্ত বুকমার্ক এবং পাসওয়ার্ডও খুঁজে পাবেন। এখানে আর বাড়তি কিছু করার দরকার পড়বেনা।

এরপর আসুন ছবির বিষয়ে। Google Photos হচ্ছে সব থেকে ভালো উপায় ব্যাকআপ সার্ভিস এর জন্য । এখানে দুটো অপসন পাবেন আপনি । প্রথমত আপনি আপনার সমস্ত ছবি গুলোকে হাই কোয়ালিটিতে রাখতে পারবেন কম্প্রেশন এর মাধ্যমে। অথবা আপনাকে পে করতে হবে ড্রাইভ স্টোরেজ ব্যবহার করে যদি আনকম্প্রেসেড করেই রাখতে চান। Google’এর কম্প্রেশন এর মান খুবই ভালো বাকি অন্য সফটওয়্যার এর চেয়ে। মানুষজন আসলে তেমন একটা বেশি তফাৎ খুঁজে পায়না কম্প্রেসড আর আনকম্প্রেসেড ভার্শনের মাঝখানে। যাইহোক, Google বিভিন্ন ধরণের স্টোরেজের অপসন তার গ্রাহকদের দিয়ে থাকে যেটা কিনা ১০০GB থেকে শুরু করে কয়েক terabytes এর স্টোরেজও হতে পারে। নির্ভর করছে গ্রাহক কেমনটা চাচ্ছেন. যেটা কিনা আপনার ফটোস যত ইচ্ছে ততো সেভ করে রাখার ইচ্ছের উপর নির্ভর করবে। এই স্টোরেজ স্পেসটি Google ড্রাইভের সাথে শেয়ার করা হয়েছে যাতে করে অন্যান্য ফাইলগুলিও আপনি অনায়েসে এখানে সেইভ করতে ব্যবহার করতে পারবেন বাড়তি খরচ ছাড়াই।

আপনি সর্বোচ্চ 15 জিবি ব্যাবহার করতে পারবেন গুগল থেকে তার পরে আপনি স্টোরেজ বাড়ানোর জন্য আপনি গুগল থেকে স্টোরেজ ক্রয় করতে পারবেন ।

পাশাপাশি গুগল কিন্তু স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার Text Message ও ব্যাকআপ করে। আপনি যদি তাত্ক্ষণিক ব্যাকআপটি ব্যবহার করতে চান তবে সেটিংসের অধীনে ব্যাকআপ ট্যাবটিতে চলে যান এবং তাত্ক্ষণিকভাবে আপনার সমস্ত সাম্প্রতিক Text Message গুলোকে সজ্জিত করতে ব্যাকআপ অপশনটি ব্যবহার করতে পারবেন।

আজ আমরা আলোচনা করলাম শুধুই গুগল এর ব্যাকআপ নিয়ে এছাড়াও আরো অনেক অনেক স্টোরেজ অপসন আছে যেমন ধরুন Amazon, Office365, OneDrive যেগুলোর প্রিমিয়াম সার্ভিস নিতে হলে আপনাকে কিছু টাকা গুনতে হবে।